অ্যাডভোকেট গোলাম মর্তুজা
সাধারণ সম্পাদক
স্মৃতির মণিকোঠায় জমা থাকা সেই ২০০০ সালের সোনালী দিনগুলো থেকে আজকের এই পরিণত বেলা পর্যন্ত আমাদের বন্ধুত্বের যে পথচলা, তার নাম ‘রয়েল ব্যাচ ২০০০’।
কলাপাড়ার মাটি ও মানুষের টানে গড়ে ওঠা আমাদের এই প্রিয় সংগঠনটি আজ শুধু
একটি ব্যাচভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটি আমাদের আবেগ, ঐক্য এবং সামাজিক
দায়বদ্ধতার এক সুদৃঢ় প্রতীক।
সাধারণ
সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি গভীরভাবে অনুভব করি, আমাদের এই
ঐক্যের মূল শক্তি হলো নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। আমরা শুধু একসাথেই পড়াশোনা
করিনি, আমরা বড় হয়েছি একই আলো-বাতাসে। তাই কলাপাড়ার প্রতি আমাদের ঋণ
অপরিসীম।
আমাদের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ:
১. ভ্রাতৃত্বের বন্ধন: ব্যস্ত জীবনের যাঁতাকলে হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের খুঁজে বের করা এবং একে অপরের সুখ-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে দাঁড়ানো।
২. সামাজিক দায়বদ্ধতা: কলাপাড়ার অসহায় ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখা। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করা।
৩. বিপদকালে ঐক্য: আমাদের কোনো বন্ধু বা তার পরিবার সংকটে পড়লে ‘রয়েল ব্যাচ ২০০০’ পরিবার হিসেবে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
৪. আদর্শ সমাজ গঠন: তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে সরিয়ে একটি সুস্থ ও সুন্দর সামাজিক পরিবেশ উপহার দেওয়া।
১. ভ্রাতৃত্বের বন্ধন: ব্যস্ত জীবনের যাঁতাকলে হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের খুঁজে বের করা এবং একে অপরের সুখ-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে দাঁড়ানো।
২. সামাজিক দায়বদ্ধতা: কলাপাড়ার অসহায় ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখা। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করা।
৩. বিপদকালে ঐক্য: আমাদের কোনো বন্ধু বা তার পরিবার সংকটে পড়লে ‘রয়েল ব্যাচ ২০০০’ পরিবার হিসেবে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
৪. আদর্শ সমাজ গঠন: তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে সরিয়ে একটি সুস্থ ও সুন্দর সামাজিক পরিবেশ উপহার দেওয়া।
পরিশেষে
বলতে চাই, পদ-পদবি বড় কথা নয়; আমরা সবাই সমান, আমরা সবাই বন্ধু। আমাদের
ছোট ছোট প্রচেষ্টাই একদিন কলাপাড়ার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন
নিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ। আসুন, বন্ধুত্বের এই সুতোয় আরও শক্ত করে গিঁট দিই
এবং আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করি।
আমাদের এই অগ্রযাত্রা চলুক আজীবন। জয় হোক বন্ধুত্বের, জয় হোক ‘রয়েল ব্যাচ ২০০০’-এর।
